জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার……….আমরা জেগে আছি

সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার……….আমরা জেগে আছি


মহান ভাষা আন্দোলনে আত্ম-উৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে
একুশের প্রভাত ফেরি লাখো কণ্ঠের মৌন মিছিলে এগিয়ে চলে! ফুলে ফুলে সুশোভিত বাঙালির চেতনার মিনার, শহীদ মিনার।
****
১৯৫২ থেকে ২০১২, পথ পরিক্রমায় ৬০ বছরে পদার্পণ করেছি আমরা।
এই ৬০ বছরে আমাদের অর্জন, গোটা বিশ্বের দরবারে আমরা সমাসীন হয়েছি আত্ম-মর্যাদাবান এক জাতি হিসেবে।
একাত্তরের অগ্নি-ঝরা মার্চে গর্জে উঠা কণ্ঠস্বর, নির্বিচার গণহত্যা, প্রতিরোধ, গেরিলা যুদ্ধ, বিচ্ছু বাহিনীর মরন- পণ লড়াই---
****
ম হা ন স্বা ধী ন তা। আমার মা-বোনের সম্ভ্রম হারানোর বেদনায় জাতীয় প্রাপ্তি ম্রিয়মাণ ছিল স্বাধীনতা লাভের ৪০ বছর পর্যন্ত।

****
১৯৪৮-১৯৫২ সালে ভাষার দাবীটি জোরালো হওয়ার পিছনে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বীর বাঙালির গর্জে উঠার পেছনের ইতিহাস আমরা সবাই জেনেছি।
সেদিন অত্যন্ত সুকৌশলে আমাদের ভিতর সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করা হয়েছিল! পশ্চিম পাকিস্তান বাংলা ভাষাকে হিন্দুদের ভাষা এবং উর্দুই মুসলমানদের ভাষা হওয়া উচিত বলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করতে চেয়েছিল।

মহান ভাষা আন্দোলনের মূল চেতনা ছিল অধিকার আদায়ের, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বীর বাঙালির ঝলসে উঠা।

****
এবারের আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস নানা কারণে অত্যন্ত মহিমান্বিত। ১৯৭১-এর রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছি এতদিন তা একেবারেই নিষ্প্রভ ছিল। এই সুদীর্ঘ সময়ে আমরা ঘাতক-দালাল, ধর্ষক-খুনি, মানবতা বিরোধী অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করতে ব্যর্থ ছিলাম।

ধর্মকে পুঁজি করে যারা সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে বে-পথু করছে যারা ধর্মের অপ-ব্যাখ্যা দিয়ে নিজেদের গা বাচাতে এর-ওর কাঁধে ভর করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিয়েছে, যাদের হৃদয় সাম্প্রদায়িকতার বিষ-বাষ্পে ভরা, যারা নিজেদের প্রয়োজনে ফতোয়া দেয়, স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙ্গতে যায়---

তাদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠা আজকের প্রজন্ম এসো মহান একুশের প্রারম্ভে আজকে আবার নতুন করে শপথ করি,
"আমার মা ,আমার বোন, আমার ভাইয়ের হত্যাকারী, মানবতা বিরোধী অপরাধী আমরা তোমাদের রুখে দেব।"

আমাদের বর্ণমালা, আমাদের লাল সবুজ, এই দেশ তোমার আমার সকলের।
আত্ম মর্যাদা-শীল এক জাতির সন্তান হিসাবে আমরা গর্বিত। ৭১-এর মানবতা-বিরোধী অপরাধীদের বিচারেই আমরা প্রশস্তি পাব।

মহান ভাষা আন্দোলনে সকল লড়াকু সেনানী, আত্ম-উৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
ধন্যবাদ।

ছবি: ইন্টারনেট

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

একুশ কোনো শোকগাথা নয় : ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস-২

পূর্ব প্রকাশের পর



উত্তেজনা কিছুটা স্তিমিত হয়ে এলে ১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি পাকিস্তান এসেম্বলির নীতি নির্ধারক কমিটি ঘোষণা করে, ''উর্দু হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ভাষা।''
ঢাকার পল্টন ময়দানের এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নাজিমুদ্দিন একই সুরে বলেন, "Urdu alone will be the state language of Pakistan"
পর পর দুটি ঘোষণা বাঙালির রক্তে আগুন ঢেলে দেয়। ফুঁসে উঠে গোটা দেশ।
২৮শে জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রধানমন্ত্রী এবং প্রাদেশিক মন্ত্রীদের মিটিঙের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে।
৩০শে জানুয়ারি, ১৯৫২ আওয়ামী লীগ কম্যুনিস্ট ফ্রন্ট এবং অন্যান্য সংগঠনগুলোর সাথে এক গোপন বৈঠকের আয়োজন করে। সভায় সকলে একমত হয় যে, "শুধু মাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আন্দোলনে ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠিত হবেনা"। সমমনা দলগুলো ছাত্রদের সমর্থনের সিদ্ধান্ত দেয়। মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আন্দোলন চালিয়ে যাবার ব্যাপারে ঐক্যমত্য হয়।

৩১শে জানুয়ারি, ১৯৫২ মাওলানা ভাসানী সভাপতিত্বে সব দলের সমন্বয়ে একটি সভা হয় যেখানে আবুল হাশিম, হামিদুল হক চৌধুরী সহ বিখ্যাত সব নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সর্ব সম্মতিক্রমে অল পার্টি একশন কমিটি (ACPA)গঠিত হয়। আহবায়ক করা হয় কাজী গোলাম মাহবুবকে। মাওলানা ভাসানীকে চেয়ারম্যান করা হয়। আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয় আওয়ামী লীগ, স্টুডেন্ট লীগ, যুব লীগ,খিলাফতে -রাব্বানী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সংগঠন "ভাষা সংগ্রাম কমিটি অব একশন"।

৩রা ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ "কমিটি অব একশন" সংখ্যাগরিষ্ঠদের দাবীকে পদদলিত করার প্রতিবাদে সভার আয়োজন করে। মাওলানা ভাসানী ছাড়াও আবুল হাশিম সহ অনেকে বক্তব্য প্রদান করেন। এই সভায় পূর্ব বাংলার এসেম্বলিতে বাজেট ঘোষণার দিন অর্থাৎ ২১শে ফেব্রুয়ারি স্ট্রাইক ঘোষণা করা হয়।
স্ট্রাইক রুখে দিতে ২০শে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টায় ১৪৪ ধারা জারি করে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ২১শে ফেব্রুয়ারি সারাদেশে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে স্ট্রাইক পালিত হয়। দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এক সভার আয়োজন করে। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে প্রাদেশিক এসেম্বলির দিকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যায়। ছাত্র মিছিল পুলিশ টিয়ার গ্যাস সেল নিক্ষেপ করে, লাঠি চার্জ করে। জবাবে ছাত্ররাও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করলে গোটা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সহ আশেপাশের গোটা এলাকায়।

বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের সামনে বিক্ষোভরত ছাত্রদের উপর পুলিশ নির্বিচার গুলিবর্ষণ করলে মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, আব্দুল জব্বার, আবুল বরকত, রফিকউদ্দিন আহমেদ এবং আব্দুস সালাম সহ ৫ জন ছাত্র শহীদ হয়।
ছাত্র হত্যার ঘটনা ঢাকা সহ সারাদেশে আগুনের হল্কার মত ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজিত হাজার হাজার জনতা ঢাকা মেডিকাল কলেজ চত্বরে জড় হতে থাকে।

পরদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শহীদদের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজা শেষে জনতা শোক মিছিলের প্রস্তুতি নিলে পুলিশ আবারও গুলি করে। গুলিতে ৪ জন নিহত হয়। উত্তেজিত জনতা সরকার সমর্থিত একটি পত্রিকা অফিস জালিয়ে দেয়।

উত্তাল জনসমুদ্র নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎকালীন সরকারকে সেনা বাহিনীকে তলব করতে হয়।
পরিস্থিতির চাপে মুখ মন্ত্রী নুরুল আমিন বিধান সভায় বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের সুপারিশ করলে সাথে সাথে তা বাতিল হয়ে যায়।
(চলবে)

একুশ কোনো শোকগাথা নয় পর্ব-2: ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস

সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

একুশ কোনো শোকগাথা নয়। পর্ব-১


****
আমি প্রথম যখন কথা বলতে শিখেছি তখন নাকি "মা" শব্দটি সর্বপ্রথম উচ্চারণ করেছিলাম! বিজাতীয় ভাষা আমাদের উপর চাপিয়ে দিলে কেমন হত!!
ভাষা আন্দোলনের সকল লড়াকু সেনানী, আর আত্ম-উৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি। "আমরা তোমাদের ভুলবো না"।

****
একুশ আমার অহংকার! একুশ আমাদের দৃপ্ত চেতনা, স্বাধিকার, প্রতিরোধে ছিনিয়ে আনা এক গৌরব গাঁথার নাম। ৫২-এর মহান ভাষা আন্দোলনে
আত্ম-উৎসর্গকারীরা বিশ্বের দরবারে আমাদের পরিচিত করেছে আত্ম-মর্যাদাবান, লড়াকু এক জাতি রূপে।
২১শে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস, ভাষার জন্য আত্মত্যাগ পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোথাও নেই!

****
শহীদের আত্মত্যাগকে মর্যাদাবান করতে গোটা বাঙালি জাতি অকৃপণ, উদার ভাবে তাঁদের ভালবাসা ঢেলে দিয়ে এসেছে যুগ যুগ ধরে।
একুশের চেতনায় প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম উজ্জীবিত হয়েছে।
ভাষার মাস এলে সাজ সাজ রব চারিদিকে। প্রাণের মিনার সাজে অপরূপ সাজে।
বর্ণিল দেয়াল লিখন, কালজয়ী কৃতি সন্তানদের অমর বাণী থেকে নির্বাচিত কথামালা বুকের স্পন্দন বাড়িয়ে দেয়।
চারুকলার ছাত্র-ছাত্রীরা গোটা মাস ধরে দেয়ালে দেয়ালে তুলির আঁচড়ে ছড়িয়ে দেয় আমাদের অনুচ্চারিত শ্লোগান।

অন্যদিকে একুশের ঐতিহ্যে লালিত বাংলা একাডেমী সাজে নতুন সাজে। শুরু হয় বাঙালীর প্রাণের মেলা। বই মেলা। একাডেমী চত্বরে গোটা মাস জুড়ে বটমূলে চলে অনুষ্ঠান মালা।
মেলায় আগত সারি সারি দর্শক মন্ত্রমুগ্ধের মত বসে থাকে ঠিক যেন কাঠের পুতুল।
মেলার অনেক আগে থেকেই লেখক-প্রকাশক ব্যস্ত; ভালো মানের লেখা চাই, ভালো মানের প্রচ্ছদ চাই, ভালো পরিবেশক চাই, শত ব্যস্ততার মাঝে ছুটে চলে লক্ষ্মীবাজার, বাংলাবাজার,আরামবাগ, আজিমপুর, নীলক্ষেতের প্রেসগুলোতে। কি-বোর্ডে ঝড় উঠে। নতুন লেখক বেশ রোমাঞ্চিত! ছাপার হরফে নিজের নাম! নাওয়া-খাওয়া নেই, চলে প্রুফ দেখা।
নতুন মলাটের ছবি চাই। ফ্লাশ জ্বলে উঠে! মলাট বুকে চেপে ধরে, ঠিক যেন সদ্য জন্ম নেয়া নতুন শিশু। অপেক্ষা ভালো লাগেনা।
ফোন বাজে ঘন ঘন। সদ্য বাঁধানো বই। এখনো ভেজা। ছুটে চলে স্টলে স্টলে। আবারও ফোন বাজে ঘন ঘন।

সবাই হাজির বই মেলায়। ছোট ছোট দলে-উপদলে বিভক্ত হয়ে আড্ডার ঝড় তুলে। নবীন, প্রবীণে আজ কোন প্রতিযোগিতা নেই, আজ কোনও বিদ্বেষ নেই,
সকলে পরিশ্রান্ত তবু ক্লান্তি বোধ নেই।
অটোগ্রাফ শিকারি, ফ্লাশ লাইটের আলোয় ঝলসে যায় মেলায় আগত কিশোর-কিশোরীর মুখ!
দুই-বাংলার বিখ্যাত লেখকদের কার কার বই এলো চোখে মুখে প্রশ্ন নিয়ে ঘুরে মেলা ময়। ধুলায় ধুসর। নিরাপত্তা তল্লাশি....। বাহ!

****
একুশ তুমি আমার অহংকার।।

একুশের প্রথম প্রহরকে ঘিরে হাইকোর্ট চত্বর, শাহবাগে বসে ফুলের মেলা। সারারাত জেগে ফুলের ডালা সাজানো, কত বাগানের গাঁদা, ডালিয়া, গোলাপ ফুল উজাড় হয়ে যায় নিমিষেই!
মালীর মুখ অমলিন! "পাগল ছেলের দল"! মনে মনে বলে, নিয়ে যাও সব, বর্ণে-বর্ণে রঙিন হোক গোটা শহীদ মিনার"।

রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশে স্কুল-কলেজ গুলোতে জড়ো হয় রাত জাগা এক-ঝাঁক তরুণ-তরুণী, প্রভাত ফেরিতে যাব, প্রভাত ফেরিতে!
প্রভাত ফেরির নিরাপত্তার কারণে ঢাকার অনেক রাস্তাই বন্ধ। বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে নিউমার্কেট হয়ে আজিমপুর গোরস্থানে।
সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার শুয়ে আছে পরম শান্তিতে। ছোট, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী এই প্রথম শহীদের কবরের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে বড়দের সাথে !
নগ্ন পা। হাতে ফুলের তোড়া। ইতিহাসের পাতায় দেখা ছবিগুলো কাঁপা-কাঁপা চোখের সামনে ভেসে উঠে " রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই"!
শিশুটি এখন আর শিশু নেই। তার বুকে শানিত প্রতিজ্ঞা, ইস্পাত কঠিন! এদেশ আমার!

নগ্ন পায়ের লাইন এগিয়ে চলে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীগুলো সাদা শাড়িতে একেকটি অপ্সরা যেন ! বুকে কালো-ব্যাজ, মলিন মুখ !
মুখে গান "আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি..আমি কি ভুলিতে পারি.."
বুকের ভেতর চেতনায় শানিত দৃপ্ত অঙ্গীকার। এদেশ আমার!

মিছিল এগিয়ে চলে মন্থর গতিতে। সামনেই শহীদ মিনার! পাঞ্জাবি-পাজামায় ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী সব শ্রেণী পেশার মানুষ অবাক তাকিয়ে দেখে 'শহীদ মিনার ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে'!
তারা রাজপথে! বুকে সুদৃঢ় অঙ্গীকার। রক্ত দিয়ে বর্নমালা, স্বাধীনতা এনেছি। রক্ত দিয়ে রুখে দিব দেশ-বিরোধী সকল অপ-শক্তি।

আজকের রাজপথ ১৯৪৮ সালের ১১ই মার্চের ভাষার দাবিতে সচিবালয় ঘেরাও, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সহ ৬৫ জনের গ্রেফতার, আমতলায় গাজীউল হক সহ সকল ভাষা সৈনিকের গর্জন
---১৯৫২ সালে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বন্দুকের গুলিতে লুটিয়ে পড়া লাশের সারি.. নীরব নিথর। সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারের রক্তে রঞ্জিত রাজপথের মত সাদা কালো মনে হয়!
(চলবে)

একটি আবেদন: বেশি বেশি বই কিনুন। বিশেষ করে নতুনদের, সহমত ব্লগারদের বই। প্রিয়জনদের বই উপহার দিন। আপনি-ই পারেন একটি সৃজনশীল, একটি সৃষ্টিকে বাঁচিয়ে রাখতে।